ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হারানো ব্যাগ সহ ব্যাগের মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফিরে পেলেন এক যাত্রী দর্শনা হল্ট রেলওয়ে পুলিশের সহযোগীতায় রাজশাহী জেলা শাখা স্বাচিপ সভাপতি ডা. জাহিদ ও সম্পাদক ডা. অর্ণা জামান চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল ধীরগতি ট্রেন চলাচল দর্শনা হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে বিশেষ অভিযানে সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি থেকে একজন পকেটমার গ্রেফতার গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনশঙ্কায় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী গাজা নিয়ে মতবিরোধ, প্রথম ইহুদি-আমেরিকান বাইডেন কর্মকর্তার পদত্যাগ শ্রম আইন সংশোধনে আইএলও’র পরামর্শ গ্রহণ নিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হবে: আইনমন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে শোইগুকে সরিয়ে দিচ্ছেন পুতিন ভয়াবহ আগুন ইসরাইল সেনাঘাঁটিতে নতুন করে চুরি হয়নি রিজার্ভ : বাংলাদেশ ব্যাংক

সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল স্থাপনের দাবি

এসপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল স্থাপন করা, স্কুলে রি-অ্যাডমিশন ফি বন্ধ ও যৌক্তিক টিউশন ফি নির্ধারণসহ ৫ দাবিতে  সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম। শনিবার (২৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের এ সব দাবি করেন নেতারা।

ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক বলেন, আমরা নিজেদের আয়ের একটা বড় অংশ সন্তানদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ব্যয় করি। ইংরেজি মাধ্যম কারিকুলাম যেহেতু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, তাই আমাদের সন্তানদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়াই। কিন্তু আমাদের এ আবেগ পুঁজি করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো দিন দিন টিউশন ফি বাড়িয়েই চলেছে।

তিনি বলেন, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে বছর বছর স্কুলগুলো রি-অ্যাডমিশন ফি নিচ্ছে। কিছু কিছু বড় স্কুল আবার রি- অ্যাডমিশন ফি-কে বারো মাসের মধ্যে ভাগ করে টিউশন ফি অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে দিয়েছে। বেশিরভাগ স্কুল রি- অ্যাডমিশন ফি ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতে মাসিক টিউশন ফি ৮,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত। আবার কিছু কিছু স্কুলে মাসিক টিউশন ফি ৮০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত। আর ভর্তি ফি ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত । কোনো কোনো স্কুলে ভর্তি ফি ২,০০,০০০ টাকা থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত। তাছাড়া কিছু কিছু স্কুল ডেভেলপমেন্ট ফি, ইউটিলিটি ফি, বিবিধ ফিসহ বিভিন্ন নামে ফি আদায় করছে।

তিনি আরও বলেন, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর এ বাণিজ্যিক আচরণের কারণে আমরা অভিভাবকরা দিশাহারা। দুঃখের বিষয় বর্তমানে অধিকাংশ ইংরেজি মাধ্যম স্কুল কর্তৃপক্ষগুলো উচ্চ আদালতের নির্দেশ অবমাননা করে, এমনকি সরকারি নির্দেশাবলীর কোনো তোয়াক্কা না করে অত্যন্ত অমানবিক ও অযৌক্তিকভাবে অভিভাভবকদের বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখিয়ে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে অসামঞ্জস্যমূলক উচ্চ হারের টিউশন ফি এবং রি-অ্যাডমিশন ফি আদায়ের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সন্তানদের ও মানসিকভাবে হেয় করা হচ্ছে। এছাড়া স্কুলগুলোতে সার্বিক শিক্ষার মান ও দিন দিন কমছে। শিক্ষকরা স্কুলে না পড়িয়ে তাদের নিজেদের কোচিং সেন্টারে যেতে ছাত্র ছাত্রীদের বাধ্য করছে।

এ অবস্থায় অভিভাবকদের পক্ষে ফোরামের দাবিসমূহ হলো-

১. ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর রি- অ্যাডমিশন ফি নেওয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং মাসিক টিউশন ফি যৌক্তিকীকরণ করতে হবে।
২. সরকারি নির্দেশাবলী মেনে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট মোতাবেক ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো পরিচালনা করতে হবে।

৩. স্কুলগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দুজন নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল স্থাপনের দাবি

আপডেট সময় : ১১:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল স্থাপন করা, স্কুলে রি-অ্যাডমিশন ফি বন্ধ ও যৌক্তিক টিউশন ফি নির্ধারণসহ ৫ দাবিতে  সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম। শনিবার (২৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের এ সব দাবি করেন নেতারা।

ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক বলেন, আমরা নিজেদের আয়ের একটা বড় অংশ সন্তানদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ব্যয় করি। ইংরেজি মাধ্যম কারিকুলাম যেহেতু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, তাই আমাদের সন্তানদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়াই। কিন্তু আমাদের এ আবেগ পুঁজি করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো দিন দিন টিউশন ফি বাড়িয়েই চলেছে।

তিনি বলেন, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে বছর বছর স্কুলগুলো রি-অ্যাডমিশন ফি নিচ্ছে। কিছু কিছু বড় স্কুল আবার রি- অ্যাডমিশন ফি-কে বারো মাসের মধ্যে ভাগ করে টিউশন ফি অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে দিয়েছে। বেশিরভাগ স্কুল রি- অ্যাডমিশন ফি ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতে মাসিক টিউশন ফি ৮,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত। আবার কিছু কিছু স্কুলে মাসিক টিউশন ফি ৮০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত। আর ভর্তি ফি ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত । কোনো কোনো স্কুলে ভর্তি ফি ২,০০,০০০ টাকা থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত। তাছাড়া কিছু কিছু স্কুল ডেভেলপমেন্ট ফি, ইউটিলিটি ফি, বিবিধ ফিসহ বিভিন্ন নামে ফি আদায় করছে।

তিনি আরও বলেন, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর এ বাণিজ্যিক আচরণের কারণে আমরা অভিভাবকরা দিশাহারা। দুঃখের বিষয় বর্তমানে অধিকাংশ ইংরেজি মাধ্যম স্কুল কর্তৃপক্ষগুলো উচ্চ আদালতের নির্দেশ অবমাননা করে, এমনকি সরকারি নির্দেশাবলীর কোনো তোয়াক্কা না করে অত্যন্ত অমানবিক ও অযৌক্তিকভাবে অভিভাভবকদের বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখিয়ে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে অসামঞ্জস্যমূলক উচ্চ হারের টিউশন ফি এবং রি-অ্যাডমিশন ফি আদায়ের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সন্তানদের ও মানসিকভাবে হেয় করা হচ্ছে। এছাড়া স্কুলগুলোতে সার্বিক শিক্ষার মান ও দিন দিন কমছে। শিক্ষকরা স্কুলে না পড়িয়ে তাদের নিজেদের কোচিং সেন্টারে যেতে ছাত্র ছাত্রীদের বাধ্য করছে।

এ অবস্থায় অভিভাবকদের পক্ষে ফোরামের দাবিসমূহ হলো-

১. ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর রি- অ্যাডমিশন ফি নেওয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং মাসিক টিউশন ফি যৌক্তিকীকরণ করতে হবে।
২. সরকারি নির্দেশাবলী মেনে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট মোতাবেক ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো পরিচালনা করতে হবে।

৩. স্কুলগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দুজন নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।