ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনা হল্ট রেলওয়ে পুলিশের সহযোগীতায় হারানো ব্যাগ সহ ব্যাগের মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফিরে পেলেন এক যাত্রী রাজশাহী জেলা শাখা স্বাচিপ সভাপতি ডা. জাহিদ ও সম্পাদক ডা. অর্ণা জামান চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল ধীরগতি ট্রেন চলাচল দর্শনা হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে বিশেষ অভিযানে সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি থেকে একজন পকেটমার গ্রেফতার গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনশঙ্কায় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী গাজা নিয়ে মতবিরোধ, প্রথম ইহুদি-আমেরিকান বাইডেন কর্মকর্তার পদত্যাগ শ্রম আইন সংশোধনে আইএলও’র পরামর্শ গ্রহণ নিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হবে: আইনমন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে শোইগুকে সরিয়ে দিচ্ছেন পুতিন ভয়াবহ আগুন ইসরাইল সেনাঘাঁটিতে নতুন করে চুরি হয়নি রিজার্ভ : বাংলাদেশ ব্যাংক

দৈনিক বার্তা সম্পাদককে সম্মাননা; রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর অলোকার মোড়ে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী। সভা পরিচালনা করেন মহাসচিব আকবারুল হাসান মিল্লাত।

সভার শুরুতে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সংগঠনের নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরেই রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। এ জন্য যেসব সদস্যদের মাসিক চাঁদা বকেয়া রয়েছে তাদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে পরিশোধের জন্য সময় দেওয়া হয়। কোন সদস্য ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করলে তার নাম ভোটার তালিকায় রাখা হবে না বলে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়।

এই সভায় নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়। সভা থেকে রাজশাহীর প্রবীণ সাংবাদিক দৈনিক বার্তার সম্পাদক এসএমএ কাদেরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়। উত্তরীয় পরানোর পর প্রবীণ এই সাংবাদিকের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননা পেয়ে নিজের অনূভ‚তি প্রকাশ করতে গিয়ে এসএমএ কাদের বলেন, একজন সাংবাদিক হিসেবে যে কৃতিত্ব অর্জন করা উচিত ছিল তা পারিনি। তারপরেও আমাকে সম্মাননা প্রদান করায় আমি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার লক্ষ্য দেশ এবং মানুষের সেবা করা। এই লক্ষ্য থেকে কেউ বের হয়ে গেলে তিনি আদর্শবান সাংবাদিক নন। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে পেশার মর্যাদা টিকিয়ে রাখতে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় সংগঠনের পরিচালক (প্রশাসন) সরদার আবদুর রহমান বিগত সাধারণ সভার কার্যবিবরণী পড়ে শোনান। পরিচালক (অর্থ) আবদুল জাবীদ অপু আয়-ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরেন। মহাসচিবের বক্তব্যে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আকবারুল হাসান মিল্লাত বলেন, রাজশাহীর সাংবাদিকদের এককাতারে নিয়ে আসার জন্য সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি গঠিত হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক সাংবাদিক সংগঠন গড়ে ওঠায় এ পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও প্রবীণ সাংবাদিক মো. লিয়াকত আলী বলেন, ‘এখন রাজশাহীতে সাংবাদিকদের ১১টি সংগঠন। সবগুলোর নামও জানি না। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই বলে পেশার মর্যাদা ধরে রাখা যাচ্ছে না। রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি এমন একটি সংগঠন যেখানে সব মতাদর্শের সাংবাদিকরা আছেন। এই সংগঠন সবাইকে নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করতেই ২০০৮ সালে সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল। এখনও সেই লক্ষ্য নিয়ে এ সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাবেক মহাসচিব রেজাউল করিম রাজু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য সাধারণ সদস্যরা। মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত দেন এবং সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

দৈনিক বার্তা সম্পাদককে সম্মাননা; রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর অলোকার মোড়ে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী। সভা পরিচালনা করেন মহাসচিব আকবারুল হাসান মিল্লাত।

সভার শুরুতে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সংগঠনের নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরেই রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। এ জন্য যেসব সদস্যদের মাসিক চাঁদা বকেয়া রয়েছে তাদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে পরিশোধের জন্য সময় দেওয়া হয়। কোন সদস্য ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করলে তার নাম ভোটার তালিকায় রাখা হবে না বলে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়।

এই সভায় নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়। সভা থেকে রাজশাহীর প্রবীণ সাংবাদিক দৈনিক বার্তার সম্পাদক এসএমএ কাদেরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়। উত্তরীয় পরানোর পর প্রবীণ এই সাংবাদিকের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননা পেয়ে নিজের অনূভ‚তি প্রকাশ করতে গিয়ে এসএমএ কাদের বলেন, একজন সাংবাদিক হিসেবে যে কৃতিত্ব অর্জন করা উচিত ছিল তা পারিনি। তারপরেও আমাকে সম্মাননা প্রদান করায় আমি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার লক্ষ্য দেশ এবং মানুষের সেবা করা। এই লক্ষ্য থেকে কেউ বের হয়ে গেলে তিনি আদর্শবান সাংবাদিক নন। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে পেশার মর্যাদা টিকিয়ে রাখতে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় সংগঠনের পরিচালক (প্রশাসন) সরদার আবদুর রহমান বিগত সাধারণ সভার কার্যবিবরণী পড়ে শোনান। পরিচালক (অর্থ) আবদুল জাবীদ অপু আয়-ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরেন। মহাসচিবের বক্তব্যে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আকবারুল হাসান মিল্লাত বলেন, রাজশাহীর সাংবাদিকদের এককাতারে নিয়ে আসার জন্য সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি গঠিত হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক সাংবাদিক সংগঠন গড়ে ওঠায় এ পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও প্রবীণ সাংবাদিক মো. লিয়াকত আলী বলেন, ‘এখন রাজশাহীতে সাংবাদিকদের ১১টি সংগঠন। সবগুলোর নামও জানি না। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই বলে পেশার মর্যাদা ধরে রাখা যাচ্ছে না। রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি এমন একটি সংগঠন যেখানে সব মতাদর্শের সাংবাদিকরা আছেন। এই সংগঠন সবাইকে নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করতেই ২০০৮ সালে সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল। এখনও সেই লক্ষ্য নিয়ে এ সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাবেক মহাসচিব রেজাউল করিম রাজু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য সাধারণ সদস্যরা। মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত দেন এবং সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।