ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনা হল্ট রেলওয়ে পুলিশের সহযোগীতায় হারানো ব্যাগ সহ ব্যাগের মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফিরে পেলেন এক যাত্রী রাজশাহী জেলা শাখা স্বাচিপ সভাপতি ডা. জাহিদ ও সম্পাদক ডা. অর্ণা জামান চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল ধীরগতি ট্রেন চলাচল দর্শনা হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে বিশেষ অভিযানে সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি থেকে একজন পকেটমার গ্রেফতার গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনশঙ্কায় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী গাজা নিয়ে মতবিরোধ, প্রথম ইহুদি-আমেরিকান বাইডেন কর্মকর্তার পদত্যাগ শ্রম আইন সংশোধনে আইএলও’র পরামর্শ গ্রহণ নিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হবে: আইনমন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে শোইগুকে সরিয়ে দিচ্ছেন পুতিন ভয়াবহ আগুন ইসরাইল সেনাঘাঁটিতে নতুন করে চুরি হয়নি রিজার্ভ : বাংলাদেশ ব্যাংক

রাজশাহীর ৬ আসনে প্রার্থী দিল জাতীয় পার্টি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণার পরদিন ২৮৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। সোমবার বিকালে বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। এর মধ্যে রাজশাহীর ছয়টি আসন রয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে নাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন সামসুদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও রাজশাহী-২ (সদর) আসনে নাঙ্গলের মনোনয়ন পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম স্বপন, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনুপর) আসনে সোলায়মান হোসেন, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আবু তালেব প্রামানিক, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে সাবেক এমপি অধ্যাপক আবুল হোসনে এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে শামসুজ্জামান রিন্টু।

এদের মধ্যে শামসুদ্দিন, সোলাইমান হোসেন ও শামসুজ্জামান রিন্টু নতুন মুখ। এদের মধ্যে সামসুদ্দিনের বাড়ি তানোর, সোলাইমানের বাড়ি মোহনুপুর ও রিন্টুর বাড়ি বাঘা বাকি তিনজনের মধ্যে সাইফুল ইসলাম স্বপন গত সিটি নির্বাচনে দলের মনোনয়নে নির্বাচন করেছেন। এছাড়াও অধ্যাপক আবুল হোসেন জাতীয় পার্টির একবার এমপি ছিলেন। আর আবু তালেব গতবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচন থেকেই আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি আসন সমঝোতা করে ভোটে অংশ নিচ্ছে। তবে এবার কোনো জোট বা কারও সঙ্গে আসন সমঝোতায় না যাওয়ার কথা গত বুধবার জানিয়েছিলেন মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি কোনো জোটে যাবে না, ৩০০ আসনেই নির্বাচন করবে। আমরা কারো সঙ্গে আসন সমঝোতায় যাব না।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, বাছাই ১-৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহীর ৬ আসনে প্রার্থী দিল জাতীয় পার্টি

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণার পরদিন ২৮৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। সোমবার বিকালে বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। এর মধ্যে রাজশাহীর ছয়টি আসন রয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে নাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন সামসুদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও রাজশাহী-২ (সদর) আসনে নাঙ্গলের মনোনয়ন পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম স্বপন, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনুপর) আসনে সোলায়মান হোসেন, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আবু তালেব প্রামানিক, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে সাবেক এমপি অধ্যাপক আবুল হোসনে এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে শামসুজ্জামান রিন্টু।

এদের মধ্যে শামসুদ্দিন, সোলাইমান হোসেন ও শামসুজ্জামান রিন্টু নতুন মুখ। এদের মধ্যে সামসুদ্দিনের বাড়ি তানোর, সোলাইমানের বাড়ি মোহনুপুর ও রিন্টুর বাড়ি বাঘা বাকি তিনজনের মধ্যে সাইফুল ইসলাম স্বপন গত সিটি নির্বাচনে দলের মনোনয়নে নির্বাচন করেছেন। এছাড়াও অধ্যাপক আবুল হোসেন জাতীয় পার্টির একবার এমপি ছিলেন। আর আবু তালেব গতবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচন থেকেই আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি আসন সমঝোতা করে ভোটে অংশ নিচ্ছে। তবে এবার কোনো জোট বা কারও সঙ্গে আসন সমঝোতায় না যাওয়ার কথা গত বুধবার জানিয়েছিলেন মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি কোনো জোটে যাবে না, ৩০০ আসনেই নির্বাচন করবে। আমরা কারো সঙ্গে আসন সমঝোতায় যাব না।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, বাছাই ১-৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারী।