ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনা হল্ট রেলওয়ে পুলিশের সহযোগীতায় হারানো ব্যাগ সহ ব্যাগের মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফিরে পেলেন এক যাত্রী রাজশাহী জেলা শাখা স্বাচিপ সভাপতি ডা. জাহিদ ও সম্পাদক ডা. অর্ণা জামান চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল ধীরগতি ট্রেন চলাচল দর্শনা হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে বিশেষ অভিযানে সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি থেকে একজন পকেটমার গ্রেফতার গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনশঙ্কায় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী গাজা নিয়ে মতবিরোধ, প্রথম ইহুদি-আমেরিকান বাইডেন কর্মকর্তার পদত্যাগ শ্রম আইন সংশোধনে আইএলও’র পরামর্শ গ্রহণ নিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হবে: আইনমন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে শোইগুকে সরিয়ে দিচ্ছেন পুতিন ভয়াবহ আগুন ইসরাইল সেনাঘাঁটিতে নতুন করে চুরি হয়নি রিজার্ভ : বাংলাদেশ ব্যাংক

শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে অর্ধযুগ ধরে ডাক্তার না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রাজশাহীর হাজারো শ্রমিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

রাজশাহী থেকে ইউসুফ চৌধুরী: শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র রাজশাহী অফিসে ছয় বছর ধরে নেই মেডিকেল অফিসার। ডাক্তার না থাকার কারণে রাজশাহী শিল্প এলাকা বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরশেন) অঞ্চলে অবস্থিত কলকারখানা ও অন্যান্য উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় দশহাজার শ্রমিক ছাড়াও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নভুক্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বঞ্চিত হচ্ছেন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে। উল্লেখ্য, শ্রম অধিদপ্তরাধীন রাজশাহীর এই দপ্তরটি ১৯৬৫ সালে ১.৩৬ একর জমির উপর বিসিক শিল্প এলাকা সংলগ্ন বিসিক রোডে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিসিকের উপ-মহাব্যবস্থাপক শামীম হোসেন জানান, বিসিক এলাকায় ২০৪টি কারখানায় কর্মরত আছেন প্রায় দশ হাজার শ্রমিক।

জানতে চাইলে, শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিষ্ট হাসানুজ্জামান বলেন, ২০১৮ সালে মেডিকেল অফিসার চলে যাবার পর ফার্মেসীর যাবতীয় ঔষধ প্যাকিং করে ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সত্যতা স্বীকার করে সেখানে কর্মরত শ্রম কল্যাণ সংগঠক অনিমা রানী দাস বলেন, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি/মার্চ থেকে এই কেন্দ্রে কোন ডাক্তার নিয়োগ হয়নি। যার কারণে, চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে না।

তিনি জানান, রাজশাহী শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে শ্রমিকদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করে থাকে। শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারের বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, বিনোদন সেবা এবং শ্রম আইন বিষয়ক শ্রমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ সহ অন্যান্য শ্রম কল্যাণ সংক্রান্ত কার্যক্রম এই দপ্তর পরিচালনা করে থাকে। স্বাস্থ্যসেবার মধ্যে এখন শুধুমাত্র পরিবার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট কিছু সামগ্রী শ্রমিক ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অতিশীঘ্রই এখানে একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেবে কর্তৃপক্ষ বলে শুনেছি।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই কেন্দ্র থেকে শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, পরিবার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট সামগ্রী সরবরাহ, শ্রম আইন ও অধিকার বিষয়ক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ দেবার বিষয়গুলো প্রতিটি কারখানায় গিয়ে শ্রমিক ও মালিক পক্ষকে আমরা অবগত করি। কিন্তু, সরেজমিনে গিয়ে সেগুলোর সতত্যা তেমন একটা চোঁখে পড়েনি প্রতিবেদকের।

সততা বেকারীর সহকারী ম্যানেজার শান্তসহ সেখানে কর্মরত শ্রমিক আজিমুল, সাজেদা, শীলাসহ আরো বেশ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা জানান, শ্রম কল্যান কেন্দ্রে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয় সেটি তারা অবগত নন।

এদিকে, ইউসুফ ফুডস্ প্রডাক্টস এর শ্রমিক কুলসুম ও পপি সহ অন্যরাও একই উত্তর দেন। তবে, দীর্ঘ সময় ধরে বিসিকের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকের কাজ করা হাজেরা খাতুন পত্রিকার প্রতিনিধিকে জানান, ছয়-সাত বছর আগে তিনি ঐ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি চিকিৎসা শেষে বিনামূল্যে ঔষধ নিয়ে এসেছেন। কিন্তু বহু বছর ধরে সেখানে কোন ডাক্তার নেই তাই তিনিও আর জান না সেখানে।

অর্ধযুগ ধরে এখানে কোন প্রকার চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে না। যখন ডাক্তার ছিলেন তখন গড়ে প্রতিদিন একশ থেকে দেড়শো শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত চিকিৎসা সেবা নিতে আসতো বলে জানায় কর্মরতরা। সেহিসেবে, প্রতি বছর এই কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা নিতো প্রায় ৩৬ থেকে ৪৫ হাজার মানুষ। কিন্তু ডাক্তার শুণ্যতায় বিনা মূল্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অর্ধলক্ষ শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

কার্যালয়ের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই পদটি ছাড়াও শূণ্য আছে আরো বেশকয়েকটি পদ। সূত্রমতে, মঞ্জুরীকৃত মোট ১২টি পদের বিপরীতে এখানে কর্মরত আছে ৭জন। মেডিকেল অফিসার ছাড়াও শুণ্য আছে জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, আয়া, অফিস সহায়ক।

এরমধ্যে, মেডিকেল অফিসার ছয় বছর ও অফিস সহায়ক নেই দুই বছর ধরে। আর আয়া পদটি শূণ্য রয়েছে প্রথম থেকেই। অর্থ্যাৎ ১২টি পদের বিপরীতে শূণ্য পদের সংখ্যা ৫টি। এবষিয়ে বিস্তারিত আরোকিছু জানার জন্য রাজশাহী বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক আমিনুল হককে কার্যালয়ে গিয়ে পাওয়া যায়নি। ব্যবহৃত সেলফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। তাই বক্তব্য ও মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে চিত্তবিনোদন সেবা প্রদানের তালিকার মধ্যে রয়েছে সংবাদপত্র ও বই-পুস্তক পড়ার ব্যবস্থা, টেলিভিশন দেখা, দাবা-লুডু-ক্যারাম-ব্যাডমিন্টন-ভলিবল সহ অন্যান্য খেলাধুলার ব্যবস্থা। কিন্তু, সরেজমিনে গিয়ে তালিকাভুক্ত ঐসকল সরকারি বিনোদন সেবার তেমন কোন ব্যবস্থা চোঁখে না পড়লেও বছরের বিশেষ দিবসগুলোতে খেলাধুলার আয়োজন করা হয় বলে দাবি সেখানে কর্মরতদের।

অর্ধযুগ ধরে চিকিৎসক কর্তৃক শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাসহ ব্যবস্থাপত্রানুযায়ী ঔষধপত্র বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান ও জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে দাবি কর্মরতদের।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে অর্ধযুগ ধরে ডাক্তার না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রাজশাহীর হাজারো শ্রমিক

আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

রাজশাহী থেকে ইউসুফ চৌধুরী: শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র রাজশাহী অফিসে ছয় বছর ধরে নেই মেডিকেল অফিসার। ডাক্তার না থাকার কারণে রাজশাহী শিল্প এলাকা বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরশেন) অঞ্চলে অবস্থিত কলকারখানা ও অন্যান্য উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় দশহাজার শ্রমিক ছাড়াও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নভুক্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বঞ্চিত হচ্ছেন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে। উল্লেখ্য, শ্রম অধিদপ্তরাধীন রাজশাহীর এই দপ্তরটি ১৯৬৫ সালে ১.৩৬ একর জমির উপর বিসিক শিল্প এলাকা সংলগ্ন বিসিক রোডে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিসিকের উপ-মহাব্যবস্থাপক শামীম হোসেন জানান, বিসিক এলাকায় ২০৪টি কারখানায় কর্মরত আছেন প্রায় দশ হাজার শ্রমিক।

জানতে চাইলে, শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিষ্ট হাসানুজ্জামান বলেন, ২০১৮ সালে মেডিকেল অফিসার চলে যাবার পর ফার্মেসীর যাবতীয় ঔষধ প্যাকিং করে ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সত্যতা স্বীকার করে সেখানে কর্মরত শ্রম কল্যাণ সংগঠক অনিমা রানী দাস বলেন, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি/মার্চ থেকে এই কেন্দ্রে কোন ডাক্তার নিয়োগ হয়নি। যার কারণে, চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে না।

তিনি জানান, রাজশাহী শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে শ্রমিকদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করে থাকে। শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারের বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, বিনোদন সেবা এবং শ্রম আইন বিষয়ক শ্রমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ সহ অন্যান্য শ্রম কল্যাণ সংক্রান্ত কার্যক্রম এই দপ্তর পরিচালনা করে থাকে। স্বাস্থ্যসেবার মধ্যে এখন শুধুমাত্র পরিবার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট কিছু সামগ্রী শ্রমিক ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অতিশীঘ্রই এখানে একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেবে কর্তৃপক্ষ বলে শুনেছি।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই কেন্দ্র থেকে শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, পরিবার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট সামগ্রী সরবরাহ, শ্রম আইন ও অধিকার বিষয়ক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ দেবার বিষয়গুলো প্রতিটি কারখানায় গিয়ে শ্রমিক ও মালিক পক্ষকে আমরা অবগত করি। কিন্তু, সরেজমিনে গিয়ে সেগুলোর সতত্যা তেমন একটা চোঁখে পড়েনি প্রতিবেদকের।

সততা বেকারীর সহকারী ম্যানেজার শান্তসহ সেখানে কর্মরত শ্রমিক আজিমুল, সাজেদা, শীলাসহ আরো বেশ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা জানান, শ্রম কল্যান কেন্দ্রে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয় সেটি তারা অবগত নন।

এদিকে, ইউসুফ ফুডস্ প্রডাক্টস এর শ্রমিক কুলসুম ও পপি সহ অন্যরাও একই উত্তর দেন। তবে, দীর্ঘ সময় ধরে বিসিকের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকের কাজ করা হাজেরা খাতুন পত্রিকার প্রতিনিধিকে জানান, ছয়-সাত বছর আগে তিনি ঐ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি চিকিৎসা শেষে বিনামূল্যে ঔষধ নিয়ে এসেছেন। কিন্তু বহু বছর ধরে সেখানে কোন ডাক্তার নেই তাই তিনিও আর জান না সেখানে।

অর্ধযুগ ধরে এখানে কোন প্রকার চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে না। যখন ডাক্তার ছিলেন তখন গড়ে প্রতিদিন একশ থেকে দেড়শো শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত চিকিৎসা সেবা নিতে আসতো বলে জানায় কর্মরতরা। সেহিসেবে, প্রতি বছর এই কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা নিতো প্রায় ৩৬ থেকে ৪৫ হাজার মানুষ। কিন্তু ডাক্তার শুণ্যতায় বিনা মূল্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অর্ধলক্ষ শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

কার্যালয়ের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই পদটি ছাড়াও শূণ্য আছে আরো বেশকয়েকটি পদ। সূত্রমতে, মঞ্জুরীকৃত মোট ১২টি পদের বিপরীতে এখানে কর্মরত আছে ৭জন। মেডিকেল অফিসার ছাড়াও শুণ্য আছে জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, আয়া, অফিস সহায়ক।

এরমধ্যে, মেডিকেল অফিসার ছয় বছর ও অফিস সহায়ক নেই দুই বছর ধরে। আর আয়া পদটি শূণ্য রয়েছে প্রথম থেকেই। অর্থ্যাৎ ১২টি পদের বিপরীতে শূণ্য পদের সংখ্যা ৫টি। এবষিয়ে বিস্তারিত আরোকিছু জানার জন্য রাজশাহী বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক আমিনুল হককে কার্যালয়ে গিয়ে পাওয়া যায়নি। ব্যবহৃত সেলফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। তাই বক্তব্য ও মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে চিত্তবিনোদন সেবা প্রদানের তালিকার মধ্যে রয়েছে সংবাদপত্র ও বই-পুস্তক পড়ার ব্যবস্থা, টেলিভিশন দেখা, দাবা-লুডু-ক্যারাম-ব্যাডমিন্টন-ভলিবল সহ অন্যান্য খেলাধুলার ব্যবস্থা। কিন্তু, সরেজমিনে গিয়ে তালিকাভুক্ত ঐসকল সরকারি বিনোদন সেবার তেমন কোন ব্যবস্থা চোঁখে না পড়লেও বছরের বিশেষ দিবসগুলোতে খেলাধুলার আয়োজন করা হয় বলে দাবি সেখানে কর্মরতদের।

অর্ধযুগ ধরে চিকিৎসক কর্তৃক শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাসহ ব্যবস্থাপত্রানুযায়ী ঔষধপত্র বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান ও জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে দাবি কর্মরতদের।