ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনা হল্ট রেলওয়ে পুলিশের সহযোগীতায় হারানো ব্যাগ সহ ব্যাগের মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফিরে পেলেন এক যাত্রী রাজশাহী জেলা শাখা স্বাচিপ সভাপতি ডা. জাহিদ ও সম্পাদক ডা. অর্ণা জামান চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল ধীরগতি ট্রেন চলাচল দর্শনা হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে বিশেষ অভিযানে সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি থেকে একজন পকেটমার গ্রেফতার গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনশঙ্কায় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী গাজা নিয়ে মতবিরোধ, প্রথম ইহুদি-আমেরিকান বাইডেন কর্মকর্তার পদত্যাগ শ্রম আইন সংশোধনে আইএলও’র পরামর্শ গ্রহণ নিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হবে: আইনমন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে শোইগুকে সরিয়ে দিচ্ছেন পুতিন ভয়াবহ আগুন ইসরাইল সেনাঘাঁটিতে নতুন করে চুরি হয়নি রিজার্ভ : বাংলাদেশ ব্যাংক

ঘর ছাড়া অভিমানী শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিলো বেলপুকুর থানা পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মেহেদী হাসান-পুঠিয়া প্রতিনিধি: মাদ্রাসা পড়ুয়া ঘর ছাড়া অভিমানী এক শিশুকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে আরএমপি’র বেলপুকুর থানা পুলিশ। তাকে রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানার পেট্রনাস পাম্পের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার সদর থানার রাজাপুরের মো: আলমগীরের ১০ বছর বয়সী শিশু মো: রিফাত জালালপুর নতুন পাড়া কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। সে বর্তমানে ৭ পারা কোরআনের হাফেজ।

গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সকালে লেখাপড়া নিয়ে রিফাতের বাবা-মা তাকে শাসন করেন। এতে শিশু রিফাত তার বাবা-মায়ের উপর অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঈশ্বরদী চলে যায়। সেখান থেকে ঢাকার বিমান বন্দর এলাকায় যায়। তারপর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে রাজশাহী আসে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ (৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত) রাত ১:৩০টায় রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানার পাশে পেট্রনাস পাম্পের সামনে ঘোরাঘুরি করার সময় বেলপুকুর থানা পুলিশের নজরে আসলে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটির নাম ঠিকানা জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছুই বলে না। এরপর বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মামুনুর রশিদ শিশুটির সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করে তার নাম ঠিকানা জানতে চান। তখন শিশুটি জানায় তার নাম রিফাত ও বাড়ি পাবনা। রিফাতের পরিচয় জানার পর অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিক পাবনা সদর থানার মাধ্যমে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন।

সংবাদ পেয়ে গতকাল ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সকালে শিশু রিফাতের পরিবারের সদস্যরা বেলপুকুর থানায় আসলে অফিসার ইনচার্জ মো: মামুনুর রশিদ তাকে তার পরিবারের কাছে তুলে দেন। শিশু রিফাতের পরিবারের সদস্যরা রিফাতকে ফিরে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা আরএমপি’র বেলপুকুর থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘর ছাড়া অভিমানী শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিলো বেলপুকুর থানা পুলিশ

আপডেট সময় : ০৩:০২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মেহেদী হাসান-পুঠিয়া প্রতিনিধি: মাদ্রাসা পড়ুয়া ঘর ছাড়া অভিমানী এক শিশুকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে আরএমপি’র বেলপুকুর থানা পুলিশ। তাকে রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানার পেট্রনাস পাম্পের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার সদর থানার রাজাপুরের মো: আলমগীরের ১০ বছর বয়সী শিশু মো: রিফাত জালালপুর নতুন পাড়া কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। সে বর্তমানে ৭ পারা কোরআনের হাফেজ।

গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সকালে লেখাপড়া নিয়ে রিফাতের বাবা-মা তাকে শাসন করেন। এতে শিশু রিফাত তার বাবা-মায়ের উপর অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঈশ্বরদী চলে যায়। সেখান থেকে ঢাকার বিমান বন্দর এলাকায় যায়। তারপর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে রাজশাহী আসে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ (৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত) রাত ১:৩০টায় রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানার পাশে পেট্রনাস পাম্পের সামনে ঘোরাঘুরি করার সময় বেলপুকুর থানা পুলিশের নজরে আসলে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটির নাম ঠিকানা জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছুই বলে না। এরপর বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মামুনুর রশিদ শিশুটির সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করে তার নাম ঠিকানা জানতে চান। তখন শিশুটি জানায় তার নাম রিফাত ও বাড়ি পাবনা। রিফাতের পরিচয় জানার পর অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিক পাবনা সদর থানার মাধ্যমে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন।

সংবাদ পেয়ে গতকাল ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সকালে শিশু রিফাতের পরিবারের সদস্যরা বেলপুকুর থানায় আসলে অফিসার ইনচার্জ মো: মামুনুর রশিদ তাকে তার পরিবারের কাছে তুলে দেন। শিশু রিফাতের পরিবারের সদস্যরা রিফাতকে ফিরে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা আরএমপি’র বেলপুকুর থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।